নীলফামারী ২: বিএনপি, জামায়াত নাকি নতুন শক্তি? | Election 2026 | Nilphamari -2 | ৩০০ আসন | 300 Seat
Автор: ৩০০ আসন
Загружено: 2025-07-10
Просмотров: 13641
#bangladesh #news #election #৩০০আসন #bnp #jamaat
নীলফামারী-২ আসনের ইতিহাস বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতির একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ। উত্তরের এই গুরুত্বপূর্ণ আসনটি কখনোই কোনো নির্দিষ্ট দলের একচ্ছত্র দখলে ছিল না—বরং বারবার হয়েছে পালাবদল। ১৯৮৬ সালের তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনের প্রথম সাংসদ নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির দেওয়ান নুরুন্নবী। সামরিক শাসনামলের জাতীয় পার্টি তখন অনেক আসনের মতো এখানেও প্রভাব বিস্তার করে। এরপর ১৯৯১ সালে গণতন্ত্র পুনরায় চালু হলে এই আসনে বিস্ময়করভাবে জয় পান বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী সামসুদ্দোহা। এটি ছিল একটি বড় বার্তা, যেখানে আদর্শভিত্তিক রাজনীতির প্রতিচ্ছবি দেখা যায়।
তবে ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের বিতর্কিত নির্বাচনে আবারো ফিরে আসেন বিএনপির দেওয়ান নুরুন্নবী। এই নির্বাচনের গণতান্ত্রিক গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও ফলাফলে বিএনপির প্রভাব প্রমাণ হয়। সেই বছর জুন মাসের নির্বাচনে পাল্টে যায় হিসাব, জয়ী হন জাতীয় পার্টি (এরশাদ)–এর আহসান আহমেদ। এটা ছিল সেই সময় জাতীয় পার্টির অঞ্চলভিত্তিক প্রভাবের একটা স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ।
এরপর ২০০১ সাল থেকে শুরু হয় আওয়ামী লীগের শক্তিশালী উত্থান। একজন সাংস্কৃতিক কর্মী ও টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ আসাদুজ্জামান নূর বা ‘বাকের ভাই’ জয়ী হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে। সেই জয় শুধু কাগজে-কলমে নয়, মাঠে গিয়েও তিনি ছিলেন একজন সক্রিয় সংসদ সদস্য, যিনি এলাকা উন্নয়নে সবার পশে থাকায় একাধিকবার নির্বাচিত হন তিনি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি ফের জয়ী হন। ২০১৪ সালে বিরোধী দলের বর্জনের মধ্য দিয়ে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন, যা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও তার জনপ্রিয়তা তখনো অটুট ছিল। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি আবারও জয়ী হন। এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনে টানা চতুর্থবারের মতো তিনি এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
এই ধারাবাহিকতা বলছে—২০০১ সাল থেকে টানা দুই দশকের বেশি সময় ধরে আসাদুজ্জামান নূরই নীলফামারী-২ এর নামের সাথে মিশে আছেন।
কিন্তু ২০২৬ সালে তিনি প্রার্থী হচ্ছেন না বা আওয়ামী লীগ অংশ নিচ্ছে না—এটাই তৈরি করেছে নতুন উত্তেজনা, নতুন প্রশ্ন। ইতিহাস বলছে, নীলফামারী-২ আসন বারবার পাল্টেছে রং—জাতীয় পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি, বিএনপি, আওয়ামী লীগ—সবাই এখানে জয় পেয়েছে। সুতরাং এটিকে নির্দ্বিধায় বলা যায় একটি স্পর্শকাতর, প্রতিযোগিতাপূর্ণ এবং টার্গেটযোগ্য আসন।
এবার কার ভাগ্যে থাকবে এই আসন—তা নির্ভর করবে তরুণ ভোটার, কর্মসংস্থান ইস্যু, তিস্তা নদীর ভাগ্য এবং কে মানুষকে সবচেয়ে ভালোভাবে বুঝতে পারবে তার ওপর
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео mp4
-
Информация по загрузке: