ভারতীয় মাফিয়া দাউদ ইব্রাহিম || Dawood Ibrahim Indian Mafia পর্ব ৩/৫
Автор: Sei shob boi সেই সব বই
Загружено: 2024-12-05
Просмотров: 13442
ভারতীয় মাফিয়া দাউদ ইব্রাহিম || Dawood Ibrahim Indian Mafia পর্ব ৩/৫
..............................................................................
পরবর্তী পর্ব • ভারতীয় মাফিয়া দাউদ ইব্রাহিম || Dawood Ibr...
00:00:00 দাউদের স্মাগলিং বানিজ্য
00:08:53 প্রথম প্রেম
00:13:55 হাজী মাস্তানের উত্থান পতন
00:21:46 ভাইয়ের মৃত্যু ও গাংওয়্যার
00:36:21 দাউদের অভিষেক
00:42:25 ম্যানিয়ার মৃত্যু
00:57:09 বিপর্যয়
01:05:47 মাফিয়ার বলিউডে অভিষেক
01:18:28 টাইপ রাইটার চোর রাজন নায়ার
01:32:48 প্রতিশোধ চক্র
01:40:19 ছোটা রাজনের উত্থান
01:49:46 সামাদ খানের খুন
02:04:06 দাউদের অর্ধাঙ্গিনী
..............................................................................
মুম্বাই পুলিশের এক কনস্টেবল ছিলেন ইব্রাহিম কাস্কর। ডোঙ্গরি-নাগপাডা এলাকায় কর্তব্যরত কাস্করকে সবাই শ্রদ্ধা করতেন।ইব্রাহিম আর আমিনা কাস্করের ১২ সন্তানের অন্যতম দাউদ। সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময়েই স্কুল যাওয়া বন্ধ করে দেন দাউদ।
দাউদের প্রথম বড় অপরাধ ছিল, ভাই সাব্বির আর তার দলের সদস্যদের নিয়ে একটা ব্যাংক লুটের ঘটনা।
মুম্বাইয়ের কার্ণক বন্দর এলাকার ওই ব্যাংক ডাকাতির পরেই শহরের সংবাদমাধ্যমের নজরে যেমন তিনি আসেন, তেমনই তার দিকে নজর পড়ে অন্য গ্যাংগুলোরও।
পাঠান গ্যাংয়ের সদস্যরা প্রথমে হত্যা করে দাউদের ভাই সাব্বিরকে। ১৯৮৬ সালে সেই গোষ্ঠীর অন্যতম কারিম লালার ভাইপো সামাদ খানকে খুন করে দাউদ তার বদলা নেন।
এর পরেই দাউদ ইব্রাহিম ভারত ছাড়েন। দুবাই থেকে শুরু হয় ডি কোম্পানির কাজকর্ম। ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পরে মুম্বাইয়ে দাঙ্গা শুরু হয়। বহু মুসলমান সেই দাঙ্গায় নিহত হন।
এ ঘটনা দাউদ ইব্রাহিমকে খুবই বিচলিত করেছিল বলে মনে করা হয়।
মুম্বাইয়ের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার রাকেশ মারিয়া তার আত্মজীবনী 'লেট মি সে ইট নাও'তে লিখেছেন— বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর মুম্বাইয়ের মুসলমানরা দাউদকে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু তিনি প্রথমে কিছু করেননি। পরে বেশ কয়েকজন মুসলমান নারী দাউদের কাছে চুড়ি পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।
এর পরেই দাউদ ইব্রাহিম মুম্বাই সিরিয়াল বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করেন বলে মনে করা হয়।
তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, পাকিস্তানের আইএসআইয়ের সহায়তায় তিনি চোরাপথে ভারতে বিস্ফোরক নিয়ে আসেন, আর তা দিয়েই ১৯৯৩ সালের ১২ মার্চ সিরিয়াল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
সেদিন একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ২৫৭ জনকে নিহত আর ৭০০ জন আহত হওয়ার সেই ঘটনার মূল চক্রী ছিলেন দাউদ ইব্রাহিমই— এমনটিই অভিযোগ।
ওই বিস্ফোরণে দাউদকে সহায়তা করেছিলেন তার গ্যাংয়েরই ছোটা শাকিল, টাইগার মেমন, ইয়াকুব মেমন আর আবু সালেম।
ওই বিস্ফোরণে জড়িত থাকার অপরাধে আবু সালেমের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে আর ইয়াকুব মেমনের ফাঁসির আদেশ হয়।
আল কায়েদা আর লস্কর-এ-তৈয়েবার সঙ্গেও দাউদ ইব্রাহিমের যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ আছে।
যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করে যে, ৯/১১-এ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বিমান হামলার ঘটনাতেও দাউদের যোগ ছিল। তাকে একজন 'গ্লোবাল টেররিস্ট' আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা দাউদের সব সম্পত্তি অধিগ্রহণ করতে চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
দাউদ ইব্রাহিম নিজের পাড়ায় গড়েছিলেন এ রেস্তোরাঁ। ভারত সরকার এটিকে জব্দ করে নিলামে বিক্রি করে দেয়।
দুবাই থেকে দাউদ ইব্রাহিম পাকিস্তানে চলে আসেন বলে জানা যায়। ভারত সব সময়েই অভিযোগ করে থাকে যে, পাকিস্তানের আইএসআই দাউদকে মদত দিয়ে থাকে। তিনি করাচিতে বসবাস করেন বলে মনে করা হয়।
কিন্তু পাকিস্তান এ অভিযোগ সবসময়েই অস্বীকার করে আসছে। কিন্তু কয়েক বছর আগে পাকিস্তান সরকার যখন সে দেশের ৮৮ জন চরমপন্থি নেতা আর সংগঠনের ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে, তার মধ্যে দাউদ ইব্রাহিমের নামও ছিল। সেই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তান স্বীকার করেছিল যে দাউদ ইব্রাহিম সে দেশেই থাকেন।
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео mp4
-
Информация по загрузке: