ট্রাম্পের পেল্লায় লাথি! ভিসা বন্ধ! ভোটে আওয়ামী লীগ। সেইফ এক্সিট নেই।
Автор: CALCUTTA DIALOGUES
Загружено: 2026-01-17
Просмотров: 30541
এই পদ্ধতিটি মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের "ভিসা রেস্ট্রিকশন পলিসি" (Visa Restriction Policy) বা Section 3C-এর প্রয়োগ। নিচে এই পদ্ধতির বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হলো:
১. পদ্ধতিটির নাম: সেকশন ৩সি (Section 3C)
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্ট’ (Immigration and Nationality Act)-এর ধারা ২১২(এ)(৩)(সি) বা সংক্ষেপে 3C-এর অধীনে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
২. এটি কীভাবে কাজ করে?
এই পদ্ধতির মূল কাজ হলো নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা এবং তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি বাতিল করা।
ভিসা বাতিল: যাদের ইতিমধ্যে মার্কিন ভিসা আছে, তাদের ভিসা বাতিল (Revoke) করে দেওয়া হয়।
ভিসা প্রত্যাখ্যান: যারা নতুন করে ভিসার আবেদন করবেন, তাদের আবেদন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়।
পরিবারের ওপর প্রভাব: কেবল অভিযুক্ত ব্যক্তিই নন, তার স্ত্রী/স্বামী এবং সন্তানদেরও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়।
৩. কাদের ওপর এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়?
এই নীতিটি মূলত তাদের ওপর প্রয়োগ করা হয় যারা বাংলাদেশে (বা সংশ্লিষ্ট দেশে) গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারেন:
সরকারি ও বিরোধী দলের রাজনীতিবিদ।
প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য।
বিচার বিভাগের সদস্য।
৪. "সেইফ এক্সিট" (Safe Exit) বন্ধ হওয়া বলতে কী বোঝায়?
রাজনীতিতে "সেইফ এক্সিট" বা নিরাপদ প্রস্থান মানে হলো—ক্ষমতা হারানোর পর বা পরিস্থিতি খারাপ হলে রাজনীতিবিদদের বিদেশে (বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য বা কানাডায়) পাড়ি জমানো।
যখন এই 3C ভিসা নীতি কার্যকর হয়, তখন ওই নির্দিষ্ট রাজনীতিবিদ বা কর্মকর্তাদের নাম মার্কিন ইমিগ্রেশন ডাটাবেসে "কালো তালিকাভুক্ত" বা "রেড ফ্ল্যাগ" করা থাকে।
ফলে তারা চাইলেও আর যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যেতে পারেন না। বিমানবন্দর থেকেই তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হতে পারে অথবা বিমানে ওঠার অনুমতিই দেওয়া হয় না। একেই বলা হচ্ছে "সেইফ এক্সিট নেই"।
৫. ট্রাম্প প্রশাসন ও বর্তমান প্রেক্ষাপট (বিশ্লেষণ)
আপনার প্রশ্নে "ট্রাম্পের লাথি" বলতে সম্ভবত বর্তমান মার্কিন প্রশাসনের (যদি ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকেন বা তার নীতির প্রভাব বোঝানো হয়) কঠোর অবস্থানকে বোঝানো হয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বা রিপাবলিকান প্রশাসন সাধারণত পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর বা 'আক্রমণাত্মক' পদক্ষেপ নিতে পছন্দ করে।
যদি আওয়ামী লীগ বা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নেতাদের বিরুদ্ধে এই নীতি কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়, তবে এর অর্থ হলো—যুক্তরাষ্ট্র তাদের মিত্র মনে করছে না এবং তাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দরজা বন্ধ করে দিয়েছে। এটিকেই রূপক অর্থে "পেল্লায় লাথি" বলা হচ্ছে।
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео mp4
-
Информация по загрузке: