গণগনি : THE GRAND CANYON OF BENGAL। একদিনে ছুটিতে ঘুরে আসুন GRAND CANYON।। @MEDIAMIX-EXPLORE
Автор: MEDIAMIX-EXPLORE
Загружено: 2026-01-07
Просмотров: 29
কলকাতা থেকে গাড়ি করে গঙ্গানি ক্যানিয়ন যাওয়ার বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া
হলো:
গঙ্গানি ক্যানিয়ন পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় গড়বেতা শহরের কাছে অবস্থিত। এটি "বাংলার গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন" নামে পরিচিত।
দূরত্ব এবং সময়
দূরত্ব: প্রায় ১৩৮-১৮০ কিলোমিটার।
সময়: প্রায় ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা (রাস্তার অবস্থা এবং ট্র্যাফিকের ওপর নির্ভর করে)।
রাস্তার বিবরণ এবং দিকনির্দেশ
কলকাতা থেকে গঙ্গানি যাওয়ার দুটি প্রধান রুট রয়েছে:
১. প্রধান রুট (মুম্বাই রোড/NH16 এবং NH60 ধরে)
এই রুটটি সাধারণত ভালো রাস্তার অবস্থার জন্য সুবিধাজনক এবং অনেকেই এটি ব্যবহার করেন।
কলকাতা থেকে উলুবেড়িয়া: কলকাতা থেকে মুম্বাই রোড (NH6/NH16) ধরুন। ডানকুনি, উলুবেড়িয়া, বাগনান, কোলাঘাট পার হয়ে যান।
উলুবেড়িয়া থেকে গড়বেতা: উলুবেড়িয়া থেকে খড়গপুর/মেদিনীপুরগামী রাস্তা ধরে এগিয়ে যান। তারপর NH60 ধরে মেদিনীপুর, সালবনি হয়ে গড়বেতা শহরের দিকে চলুন।
গড়বেতা থেকে গঙ্গানি: গড়বেতা শহর থেকে প্রায় ২-৪ কিলোমিটার দূরে গঙ্গানি অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এটি 'গঙ্গানির ডাঙ্গা' নামে পরিচিত। শহর থেকে বাম দিকে ঘুরে একটি স্থানীয় রাস্তা ধরে গঙ্গানি ক্যানিয়নে পৌঁছাতে পারবেন。
২. বিকল্প রুট (আরামবাগ হয়ে)
আরামবাগ হয়েও যাওয়া যায়, তবে কিছু পর্যটকের মতে এই পথে রাস্তা কিছুটা খারাপ থাকতে পারে।
কলকাতা থেকে আরামবাগ হয়ে কামারপুকুর বা জয়পুর বাসস্ট্যান্ডের দিক দিয়ে গঙ্গানি যাওয়া যায়। এই রুটটি দূরত্বে কিছুটা কম দেখালেও, এতে ছোট রাস্তা এবং বাম্প থাকতে পারে।
কিছু টিপস
গুগল ম্যাপস: যাত্রার সময় গুগল ম্যাপস ব্যবহার করুন সঠিক রুট এবং রিয়েল-টাইম ট্র্যাফিক আপডেটের জন্য।
খাবার: গঙ্গানি ক্যানিয়নের একেবারে কাছে খাবারের দোকান খুব কম, তাই গড়বেতা শহরে বা পথে কোনো রেস্তোরাঁয় খেয়ে নেওয়া বা খাবার সঙ্গে রাখা ভালো।
সময়: সূর্যাস্ত বা সূর্যোদয়ের সময় ক্যানিয়নের দৃশ্য সবচেয়ে ভালো দেখা যায়।
সতর্কতা: বর্ষাকালে ঘাটাল-চন্দ্রকোণা রোডে জল জমে যেতে পারে, তাই সেই সময়ে ওই রুট এড়িয়ে চলাই ভালো। শীতকাল ভ্রমণের জন্য আদর্শ সময়। কলকাতা থেকে গাংনি ক্যানিয়ন (Gangani Canyon) যাওয়ার জন্য সরাসরি কোনো লোকাল ট্রেন নেই, তবে আপনি মেইল/এক্সপ্রেস ট্রেনে করে গড়বেতা (Garhbeta) স্টেশন পর্যন্ত যেতে পারেন। গড়বেতা স্টেশন থেকে অটো বা টোটো (Toto) ভাড়া করে সহজেই গাংনি পৌঁছানো যায়।
নীচে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলো:
কলকাতা থেকে গড়বেতা যাওয়ার উপায়
আপনাকে প্রথমে হাওড়া (Howrah) বা সাঁতরাগাছি (Santragachi) স্টেশন থেকে মেদিনীপুর বা বাঁকুড়াগামী ট্রেনে চড়তে হবে।
রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস (Rupasi Bangla Express): এটি গাংনি যাওয়ার জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক ট্রেনগুলির মধ্যে অন্যতম।
কোথা থেকে ছাড়ে: সাঁতরাগাছি (Santragachi) জংশন থেকে।
সময়: সাধারণত সকাল ৬টা ২৫ মিনিটে ছাড়ে।
গড়বেতা পৌঁছানোর সময়: আনুমানিক সকাল ৯টা ২০-৩০ মিনিটে গড়বেতা পৌঁছায় এবং সময় লাগে প্রায় ৩ ঘণ্টা।
আরণ্যক এক্সপ্রেস (Aranyak Express): এটিও একটি ভালো বিকল্প।
কোথা থেকে ছাড়ে: শালিমার (Shalimar) স্টেশন থেকে।
সময়: সাধারণত সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে ছাড়ে।
গড়বেতা পৌঁছানোর সময়: আনুমানিক সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে গড়বেতা পৌঁছায়।
অন্যান্য ট্রেন: এছাড়াও হাওড়া থেকে খড়গপুর-হাতিয়া এক্সপ্রেস (Kharagpur-Hatia Express) বা বিষ্ণুপুর-বাঁকুড়া লাইনের অন্য যেকোনো প্যাসেঞ্জার/এক্সপ্রেস ট্রেনে গড়বেতা পৌঁছাতে পারেন।
গড়বেতা স্টেশন থেকে গাংনি ক্যানিয়ন
গড়বেতা স্টেশনে নামার পর গাংনি ক্যানিয়ন যাওয়ার জন্য নিম্নলিখিত উপায়গুলি ব্যবহার করতে পারেন:
অটো/টোটো: স্টেশন থেকে বেরিয়েই অটো রিকশা বা টোটো পেয়ে যাবেন। এটি সবচেয়ে সহজ এবং সুবিধাজনক উপায়।
দূরত্ব: গড়বেতা রেলওয়ে স্টেশন থেকে গাংনি ক্যানিয়নের দূরত্ব প্রায় ৩.৫ থেকে ৪.৫ কিলোমিটার।
সময়: অটো বা টোটোতে পৌঁছাতে প্রায় ৭-২০ মিনিট সময় লাগতে পারে।
কিছু টিপস
এটি সাধারণত একদিনের ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত জায়গা। আপনি সকালেই গিয়ে দুপুরের মধ্যে ফিরে আসতে পারেন।
গাংনি ক্যানিয়ন শিলাইবতী নদীর তীরে অবস্থিত এবং এখানকার লাল মাটির খাদ বা গিরিখাতগুলি দেখতে খুব সুন্দর।
শীতকাল ভ্রমণের জন্য আদর্শ সময়, কারণ তখন আবহাওয়া মনোরম থাকে।
ক্যানিয়নের কাছাকাছি খাবারের দোকান কম, তাই গড়বেতা স্টেশনের আশেপাশেই খাওয়া-দাওয়া সেরে নিতে পারেন। পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতার কাছে অবস্থিত গঙ্গোনি (Gangani) হল শিলাবতী নদীর ভাঙনের ফলে সৃষ্ট একটি প্রাকৃতিক গিরিখাত, যা "বাংলার গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন" নামে পরিচিত; এর ইতিহাস বৈজ্ঞানিক এবং পৌরাণিক—বিজ্ঞান বলে শিলাবতী নদী ক্ষয় করে এই রূপ দিয়েছে, আর লোককথা অনুযায়ী, পাণ্ডবরা বনবাসের সময় এখানে এসেছিলেন।
গঙ্গোনির ইতিহাস ও পরিচিতি:
ভৌগোলিক গঠন: এটি মূলত শিলাবতী নদীর (শিলাই নদী নামেও পরিচিত) জলের স্রোতে ল্যাটেরাইট পাথরের ক্ষয় ও ভাঙনের ফলে তৈরি হয়েছে, যার ফলে এখানে লালচে মাটির স্তর ও গভীর খাত দেখা যায়।
'বাংলার গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন': আমেরিকার কলোরাডো নদীর সৃষ্ট গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের সাথে এর ভূমিরূপের কিছুটা মিল থাকায় একে 'বাংলার গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন' বলা হয়, যদিও এটি অনেক ছোট।
পৌরাণিক সংযোগ: লোকমুখে প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, মহাভারতের সময় পাণ্ডবরা বনবাসে থাকাকালীন এই গঙ্গোনি অঞ্চলে এসেছিলেন বলে মনে করা হয়, যা এর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বাড়িয়ে তোলে।
পর্যটন ও প্রকৃতি: এটি এখন একটি জনপ্রিয় পিকনিক স্পট এবং পর্যটন কেন্দ্র, যেখানে শিলাবতী নদীর তীরে 'শাওন' ফুল (Kans grass) ফোটে, যা দৃশ্যকে আরও মনোরম করে তোলে।
সংক্ষেপে, গঙ্গোনি একটি প্রাকৃতিক বিস্ময় যা বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া ও লোককথা—উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ এবং পশ্চিমবঙ্গের একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান হিসেবে পরিচিত।
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео mp4
-
Информация по загрузке: