পিকনিকের জন্য 150 লোকের পেছনে দাঁড়াতে হলো।পুজো দিতে হল দেরি
Автор: Daily Bytes with G
Загружено: 2025-01-12
Просмотров: 126
ভ্রমণপিপাসু বাঙালির কাছে মাইথন (Maithon) অত্যন্ত জনপ্রিয়। আর যারা মাইথন ঘুরতে এসেছেন তারা দেবী কল্যাণেশ্বরীর (Kalyaneshwari temple) মন্দিরে যাননি, এমনটা খুব একটা হয় না। প্রাচীন দেবীপীঠ বলে পরিচিত কল্যাণেশ্বপ্রাচীন কল্যাণেশ্বরী মন্দিরটি বর্তমান মন্দিরের অনতিদূরে অবস্থিত। ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে শবনপুর এলাকায় কল্যাণেশ্বরীর প্রাচীন মন্দিরটি অবস্থিত। এই মন্দিরে দেবী অধিষ্ঠিত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধান সেবায়েত দিলীপ দেওঘরিয়া। প্রতিষ্ঠার সময় রাজা কল্যাণীপ্রসাদ এখানে এনে রেখেছিলেন মাকে। কিন্তু আর নিয়ে যেতে পারেননি।
জানা যায়, রাজা বল্লাল সেনের পালিতা কন্যার নাম ছিল লক্ষ্মী। পুরুলিয়ার কাশীপুরের রাজা কল্যাণীপ্রসাদের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয় লক্ষ্মীর। বিয়েতে যৌতুক হিসেবে মা শ্যামারূপার মূর্তি তুলে দেওয়া হয় নবদম্পতির হাতে। বিয়ের পর কুলটি স্বপ্নপুর গ্রামের কাছে জঙ্গলের মধ্যে দিকভ্রষ্ট হন নববিবাহিত দম্পতি। সেই জঙ্গলের মধ্যেই দেবী শ্যামারূপাকে নামিয়ে রাখেন কল্যাণীপ্রসাদ। সেই দিনটা পথ খুঁজতে খুঁজতেই কেটে যায়। পরের দিন রাস্তা খুঁজে পাওয়ার পর যখন কল্যাণীপ্রসাদ দেবীকে তুলতে আসেন, তখন শত চেষ্টাতেও দেবী শ্যামারূপাকে সেখান থেকে নড়ানো যায়নি। স্বপ্নপুরের সেই জঙ্গলেই দেবী শ্যামারূপার মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন কল্যাণীপ্রসাদ। তাঁর নামে দেবীর নাম হয় কল্যাণেশ্বরী। সেই স্বপ্নপুর গ্রামই বর্তমানের শবনপুর।
দেবীকে নিয়ে অন্য জনশ্রুতিও রয়েছে। জানা যায়, বর্তমান মন্দিরের জায়গায় আগে গভীর জঙ্গল ছিল। পাশ দিয়ে বয়ে যেত ছোট এক নদী। একদিন সেই নদীর ঘাটে এক শাঁখারির কাছে শাঁখা পড়তে যান গ্রামেরই এক বধূ। শাঁখারি তাঁর কাছে টাকা চাইলে তিনি বলেন, টাকা নেওয়ার জন্য যেতে হবে শবনপুর গ্রামে তাঁর বাবা ব্রাহ্মণ দেবনাথ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। সেই মতো শাঁখারি দেবনাথ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে গিয়ে
শোনেন, তিনি নিঃসন্তান। শাঁখারির মুখের সমস্ত ঘটনা শুনে অবাক দেবনাথবাবু তাঁকে সঙ্গে করে হাজির হন জঙ্গলের মধ্যে নদীর সেই ঘাটে। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখা যায় কোনও নববধূ তো দূর, জনমানুষ নেই সেখানে। শুধু পাথরে রয়ে গেছে যুবতী পায়ের ছাপ। সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত ঘটনা বুঝতে পারেন দেবনাথ চট্টোপাধ্যায়। জঙ্গলের মধ্যেই মায়ের নতুন মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়। সেবায়েত হিসেবে মায়ের পুজো শুরু করেন দেবনাথ চট্টোপাধ্যায়।
নতুন মন্দিরের পাশেই রয়েছে চালনাদহের সেই ঘাট, যেখানে শাঁখা পড়েছিলেন স্বয়ং দেবী কল্যাণেশ্বরী। ঘাটের পাথরে মায়ের সেই পায়ের ছাপ আজও রয়ে গেছে। কালীপুজোর রাতে প্রচুর ভক্তসমাগম হয় দেবী কল্যাণেশ্বরীর মন্দিরে। সারারাত ধরে চলে মায়ের পুজো। চালনাদহ ঘাটে প্রদীপ, মোমবাতি জ্বালিয়ে পুজো দেন তাঁরা।
#instagram #train #dance #temple #dance #temples #mandir #kumbha #prayagraaj
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео mp4
-
Информация по загрузке: