গীতা-প্রথম অধ্যায়-অর্জুনের বিষাদ ও ধর্মের সংকট-Gita Chapter1-সহজ সরল বাংলায়-ছোট বড়ো সবার জন্য-হিন্দু
Автор: বেদ-পুরানের কাহিনী-VED PURAN KAHINI
Загружено: 2026-01-22
Просмотров: 118
গীতা-প্রথম অধ্যায়-অর্জুনের বিষাদ ও ধর্মের সংকট-Gita Chapter1-সহজ সরল বাংলায়-ছোট বড়ো সবার জন্য-হিন্দু
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা হিন্দু ধর্মের এক অমূল্য গ্রন্থ। গীতার প্রথম অধ্যায় – অর্জুন বিষাদ যোগ-এ আমরা দেখি কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধক্ষেত্রে অর্জুনের মানসিক দ্বন্দ্ব, ভয় ও বিষাদের কাহিনি। নিজের আত্মীয়স্বজন ও গুরুজনদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে অর্জুন ভেঙে পড়েন এবং অস্ত্র ত্যাগের কথা ভাবেন।
এই অধ্যায়ে মানব জীবনের নৈতিক সংকট, কর্তব্যবোধ, করুণা ও দ্বিধার গভীর চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। শ্রীকৃষ্ণ তখনো উপদেশ দেওয়া শুরু করেননি, কিন্তু অর্জুনের বিষাদই গীতার মহাজ্ঞানের সূচনা করে।
এই ভিডিওতে আপনি জানতে পারবেন—
✔️ গীতা প্রথম অধ্যায়ের মূল ভাব
✔️ অর্জুন বিষাদ যোগের সহজ ব্যাখ্যা
✔️ আধুনিক জীবনে এই অধ্যায়ের শিক্ষা
ভিডিওটি ভালো লাগলে Like, Share ও Subscribe করতে ভুলবেন না 🙏
Description
The Srimad Bhagavad Gita is one of the greatest spiritual scriptures of Hindu philosophy.
Chapter 1 – Arjuna Vishada Yoga describes the emotional turmoil of Arjuna on the battlefield of Kurukshetra. Seeing his relatives, teachers, and loved ones standing on the opposite side, Arjuna is overwhelmed with sorrow, fear, and moral confusion.
This chapter highlights human weakness, compassion, duty, and inner conflict. Although Lord Krishna has not yet begun his divine teachings, Arjuna’s despair sets the stage for the timeless wisdom of the Bhagavad Gita.
In this video, you will learn:
✔️ The essence of Bhagavad Gita Chapter 1
✔️ Simple explanation of Arjuna Vishada Yoga
✔️ Life lessons relevant even today
If you find this video helpful, please Like, Share, and Subscribe for more spiritual content.
ভগবদ্গীতা হল হিন্দুদের একটি পবিত্র ধর্মগ্রন্থ, যা মহাভারতের অংশ। এটিকে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা বা গীতা নামেও ডাকা হয়। এটি কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের পটভূমিতে লেখা হয়েছে, যেখানে শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বিভিন্ন বিষয়ে উপদেশ দেন।
এটি হিন্দু দর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ এবং এর শিক্ষাগুলি আজও মানুষের জীবনকে পথ দেখায়। গীতাকে বলা হয় মানব ধর্মতত্ত্বের সংক্ষিপ্ত পাঠ এবং হিন্দুদের জীবনচর্যার ব্যবহারিক পথনির্দেশিকা।
এক কথায় শ্রীমদ্ভগবতগীতা হচ্ছে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মুখ-নিসৃত বাণী, যা মহাভারতের যুদ্ধের সময় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুন কে উদ্দেশ্য করে বলে ছিলেন।
মহাভারতে কৌরবরা ষড়যন্ত্র করে যুধিষ্ঠিরকে পাশা খেলায় হারিয়ে পাণ্ডবদের ১২ বছরের বনবাস ও ১ বছরের অজ্ঞাতবাসে পাঠায় এবং এই ১৩ বছরের জন্য পাণ্ডবদের রাজ্যের শাসন নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।
বনবাসে পাঠানোর সময় পাণ্ডবদের বলা হয় ১৩ বছর পর তারা যখন ফিরে আসবে তখন তাদের রাজ্য ফিরিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু ১৩ বছর পর পাণ্ডবরা যখন ফিরে আসে তখন কৌরবরা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে পাণ্ডবদের রাজ্য ফিরিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এই পরিস্থিতিতেই কৌরব ও পাণ্ডবদের মধ্যে শুরু হয় কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ।
শ্রীকৃষ্ণ এ যুদ্ধে কোনো পক্ষ অবলম্বন না করলেও তৃতীয় পাণ্ডব অর্জুনের রথের সারথি ছিলেন। যুদ্ধের প্রাক্কালে তিনি রক্তপাত এড়ানোর জন্য শান্তিদূত হিসাবে কৌরব পক্ষের দুর্যোধনের কাছে যান এবং পুরো রাজ্যের বদলে পাঁচ পাণ্ডবের জন্য কেবল পাঁচটি গ্রাম ভিক্ষা চান।
কিন্তু দুর্যোধন এ প্রস্তাবে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্যগ্র মেদিনী, অর্থাৎ একটি সুঁইয়ের অগ্রভাগে যে কণা পরিমাণ ভূমি রাখা যায় তাও পাণ্ডবদের দেওয়া হবে না যতোক্ষণ না তারা সেটা যুদ্ধ জয় করে নিতে পারছে। শুরু হয় কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ।
কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের আগে মহর্ষি বেদব্যাস ধৃতরাষ্ট্রকে বলেছিলেন আমি সঞ্জয়কে দিব্যদৃষ্টি প্রদান করছি, এর ফলে সঞ্জয় সমস্ত যুদ্ধ, সম্পূর্ণ ঘটনাবলী, সৈন্যদের মনের ভাবও জানতে পারবে, শুনতে পারবে, দেখতে পাবে এবং সবকিছু তোমাকে জানাতে পারবে।
কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের দশম দিনে পিতামহ ভীষ্ম যখন শরবিদ্ধ হয়ে রথচ্যুত হলেন, তখন সঞ্জয় হস্তিনাপুরে (যেখানে ধৃতরাষ্ট্র অবস্থান করছিলেন), এসে ধৃতরাষ্ট্রকে এই সংবাদ শোনালেন।
এই সংবাদ শুনে ধৃতরাষ্ট্র দুঃখিত চিত্তে বিলাপ করতে লাগলেন। তারপর তিনি সঞ্জয়কে যুদ্ধের সমস্ত সংবাদ পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে বর্ণনা করতে বললেন।
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео mp4
-
Информация по загрузке: