ইরানে কী হচ্ছে, কেন হচ্ছে? | Xplain | মেহেরুন্নেসা | জেবা সাজিদা মৌ | ইশতেহার—Ishtehar
Автор: ইশতেহার - Ishtehar
Загружено: 2026-01-14
Просмотров: 27022
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২
ইরানের মোরাল পুলিশের হাতে আটক হন সাকেজ শহর থেকে তেহরান বেড়াতে আসা পার্সিয়ান তরুণী মাহশা আমিনি। অপরাধ? মাহশার মাথায় হিজাব ছিল না।
আটক অবস্থায় পুলিশ মাহশার মাথায় আঘাত করে, এবং আটকের তিনদিন পর ১৬ সেপ্টেম্বর তিনি পুলিশ হেফাজতেই মারা যান। কিন্তু ইরানের সরকার মাথায় আঘাতের বিষয়টি অস্বীকার করে, এবং তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে। বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি ইরানের জনগণ। বিক্ষুব্ধ জনতা নেমে আসে রাস্তায়।
মাহশার নিজ শহর সাকেজে তার জানাজায় মানুষের ঢল নামে। সেখানেই স্লোগান ওঠে “নারী, জীবন, স্বাধীনতা”। তারপর এই স্লোগানকেই সামনে রেখে দানা বাঁধে দুর্বার আন্দোলন। দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়া সেই আন্দোলনে খামেনির পতন হয় হয় অবস্থা। কিন্তু নজিরবিহীন নিষ্ঠুরতা চালিয়ে সেই আন্দোলন দমন করে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী।
নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে সারা দেশে ৫’শর বেশি মানুষ নিহত হন, যার মধ্যে ৮০ জন শিশু এবং কয়েক ডজন নারী ছিলেন।
এক পর্যায়ে আন্দোলনের গতি কমে আসে, কিন্তু থেমে যায় না। নারী জীবনের স্বাধীনতার দাবিতে সেই আন্দোলন সম্প্রতি আবার জেগে ওঠে। ২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বরে শুরু হওয়া আন্দোলনে যুক্ত হয় নতুন জনরোষ; জনরোষের কারণ অর্থনৈতিক সংকট। ফলে এটি দ্রুত সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়।
ইরানের মোট ৩১টি প্রদেশের ১৮০ টি শহরের রাজপথ এখন আন্দোলনকারীদের দখলে। ডজনখানেক শহর প্রায় অচল করে দিয়েছে তারা।
আন্দোলনকারীদের বড় একটা অংশ আবার নির্বাসিত ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভীর অনুসারী।
বিক্ষোভকারীরা খামেনির ছবিতে আগুন দিচ্ছে, খামেনির তৈরি পতাকা নামিয়ে সিংহ খচিত ঐতিহাসিক পার্সিয়ান পতাকা ওড়াচ্ছে, ভেঙে ফেলছে এই জামানার জাতীয় বীর হোসেইন সোলেমানির ভাস্কর্য। এমনকি মসজিদেও আগুন দিচ্ছে তারা। বলছে, “আমরা মুসলিম নই, আমরা পার্সিয়ান!’
সরকার হতাহতের হিসাব দিচ্ছে না, বিক্ষোভকারীদেরও কোনো কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেল নেই, এমনকি ইন্টারনেটও বন্ধ; ফলে এই রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত কতজন মারা গেছে, বলা মুশকিল। জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংগঠনের মতে ষাট কি পঁয়ষট্টি, আর বিক্ষোভকারীদের মতে নিহতের সংখ্যা দুই হাজারেরও বেশি! 'টাইম ম্যাগাজিনের’ একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, এক চিকিৎসক দাবি করেছেন যে, শুধু তেহরানেই একদিনে ২১৭ জন বিক্ষোভকারীর মরদেহ রেকর্ড করা হয়েছে।
আর সরকারের দাবি অনুযায়ী বিক্ষোভকারীদের সাথে সংঘর্ষে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৬ জন নিরাপত্তা কর্মী নিহত হয়েছেন।
এই সংঘর্ষ আরও প্রাণঘাতী হতে যাচ্ছে। সরকার বিক্ষোভকারীদের ‘মোহারেব’ বা ‘আল্লাহর শত্রু’ হিসেবে ঘোষণা করেছে; ইরানের আইনে যা সর্বোচ্চ অপরাধ। আর এই অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
——
ইশতেহার – একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে জন্ম নেওয়া একটি দেশপ্রেমিক, সেকুলার ও প্রগতিশীল প্ল্যাটফর্ম। আমরা ইতিহাস, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতিকে তথ্যনির্ভর গবেষণার আলোকে তুলে ধরি। আমাদের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশে মানবাধিকার, গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করা।
আমরা অন্ধকারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সত্য প্রকাশ করি, ধর্মীয় উগ্রবাদ ও মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে লড়ি এবং প্রগতিশীল, মানবিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি। প্রতিটি ভিডিওতে আপনি পাবেন তথ্যসমৃদ্ধ বিশ্লেষণ, প্রামাণ্য দলিল, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি।
Ishtehar – a patriotic, secular, and progressive platform inspired by the spirit of Bangladesh’s Liberation War of 1971. We present history, politics, society, and culture through well-researched analysis and fact-based storytelling. Our mission is to uphold human rights, democracy, freedom of speech, secular values, cultural diversity, and to amplify the voice of ordinary people.
We stand against misinformation, extremism, and injustice while promoting progressive, humanistic, and inclusive ideals. Each of our videos brings you in-depth research, historical context, authentic references, and forward-looking perspectives on Bangladesh and the world.
👉 Support us, stand with us, and help spread the truth.
Your likes, shares, comments, and subscriptions inspire us to continue this journey.
📌 Follow us:
🔗 ( / ishtehar71 )
🔗 ( / @ishtehar71 )
---
Join this channel to get access to perks:
/ @ishtehar71
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео mp4
-
Информация по загрузке: