দাদা কিছু মূল্য বান বক্তব্য
Автор: AMPS ANANDA MARGA
Загружено: 2026-01-05
Просмотров: 15
"৩১শে ডিসেম্বরের রাত আর ১লা জানুয়ারির সেই মাহেন্দ্রক্ষণ! জামালপুরের এক নির্জন ঘরে পরমপিতা শ্রী শ্রী আনন্দমূর্তি জি (বাবা) তাঁর এক প্রিয় সন্ন্যাসী সন্তানকে দেখিয়েছিলেন সময়ের আসল রূপ। কীভাবে এক নিমেষে একটি সাধারণ মানুষের মন মহাজাগতিক চেতনায় বিলীন হয়ে গিয়েছিল? পড়ুন সেই রোমহর্ষক সত্য ঘটনা..."
শ্রী শ্রী আনন্দমূর্তিজি (যাঁকে ভক্তরা আদর করে 'বাবা' বলে ডাকেন) তাঁর জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই ছিল অলৌকিকতায় ঘেরা। ইংরেজি নববর্ষ নিয়ে তাঁর একটি খুব সুন্দর এবং অর্থবহ ঘটনার কথা আনন্দমার্গী সন্ন্যাসী ও ভক্তদের স্মৃতিচারণায় পাওয়া যায়।
ঘটনাটি নববর্ষের একটি আধ্যাত্মিক উপলব্ধির সঙ্গে যুক্ত। এই ঘটনাটি আমার যেমন মনে আছে তেমন টি লিখছি।
নববর্ষের আশীর্বাদ ও ‘ডেমনিস্ট্রেশন’:-
একবার ইংরেজি নববর্ষের ঠিক আগের রাতে (৩১শে ডিসেম্বর), বাবার কাছে কিছু ভক্ত ও সন্ন্যাসী আশীর্বাদ নিতে গিয়েছিলেন। তাঁরা চেয়েছিলেন নতুন বছরটি যেন তাঁদের আধ্যাত্মিক জীবনে অনেক উন্নতি নিয়ে আসে।
সাধারণত মানুষ নববর্ষ উদযাপন করে আনন্দ-উৎসবের মাধ্যমে, কিন্তু বাবা সেদিন এক অলৌকিক উপায়ে সময়ের প্রকৃত স্বরূপ বুঝিয়ে দিয়েছিলেন।
বিস্তারিত ও অলৌকিক ডেমোনস্ট্রেশন কাহিনী
পটভূমি:
সেদিন ছিল ইংরেজি বছরের শেষ রাত (৩১শে ডিসেম্বর)। জামালপুরের এক ছোট কামরায় বাবার চারদিকে বসে আছেন হাতেগোনা কয়েকজন সন্ন্যাসী দাদা ও গৃহী ভক্ত। বাইরে শীতের নিস্তব্ধতা, কিন্তু ঘরের ভেতর বাবার উপস্থিতিতে এক অদ্ভুত তড়িৎ প্রবাহ বইছে। রাত তখন প্রায় ১২টার কাছাকাছি, অর্থাৎ ১লা জানুয়ারির শুভ সূচনা হতে চলেছে।
অলৌকিক ডেমোনস্ট্রেশন:
বাবা যখন ভক্তদের সঙ্গে কথা বলছিলেন, হঠাৎ পরিবেশ একদম শান্ত হয়ে যায়। বাবা হঠাৎ কথা বলতে বলতে গম্ভীর হয়ে গেলেন। তিনি উপস্থিত একজন সন্ন্যাসীর দিকে তাকিয়ে তাঁর আধ্যাত্মিক শক্তি (Microvita) প্রয়োগ করেন।
তিনি একজন সন্ন্যাসী দাদাকে (আচার্যকে) লক্ষ্য করে বললেন, "তুমি কি জানো সময় আসলে কী?" ওই দাদাটি কিছু বলার আগেই বাবা তাঁর ডান হাতের তর্জনী দিয়ে দাদার ভ্রূ-মধ্যবর্তী স্থানে (আজ্ঞাচক্র) স্পর্শ করলেন।
তৎক্ষণাৎ ওই সন্ন্যাসীর দেহটি পাথরের মতো স্থির হয়ে গেল। উপস্থিত সকলে দেখলেন, ওই দাদার চোখের মণি স্থির, কিন্তু তাঁর মুখমণ্ডল থেকে এক অপার্থিব আভা বেরোচ্ছে। বাবা তখন জিজ্ঞেস করলেন, "বলো, এখন কী দেখছো?"
সেই দাদা এক ঘোরের মধ্যে কাঁপাকাঁপা কণ্ঠে বলতে লাগলেন, "বাবা, আমি দেখতে পাচ্ছি এক আদিহীন অনন্ত কাল। আমার মনে হচ্ছে আমি আর এই রক্ত-মাংসের শরীরে নেই। আমি দেখতে পাচ্ছি কোটি কোটি নক্ষত্র জন্ম নিচ্ছে আর ধ্বংস হচ্ছে। আমাদের এই পৃথিবীর ক্যালেন্ডারের একটা বছর তো সমুদ্রের একটা বিন্দুর মতো! বাবা, আমি এক অখণ্ড আনন্দের সাগরে ডুবে যাচ্ছি..."
সময়ের ঊর্ধ্বগমন:
উপস্থিত ভক্তরা বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলেন। বাবা তখন বুঝিয়ে দিলেন যে, যেটাকে আমরা 'নববর্ষ' বলে আনন্দ করছি, তা আসলে মনের একটি আপেক্ষিক অবস্থা মাত্র। তিনি ওই সন্ন্যাসী দাদাকে 'সবিকল্প সমাধি' থেকে **'নির্বিকল্প সমাধি'**র স্তরে নিয়ে গিয়েছিলেন শুধুমাত্র একটি স্পর্শে।
ঘড়িতে যখন রাত ১২টা বেজে ১ মিনিট হলো (১লা জানুয়ারি), বাবা তখন তাঁর স্পর্শ সরিয়ে নিলেন। ওই সন্ন্যাসী দাদাটি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেই বাবার চরণে লুটিয়ে পড়লেন এবং কান্নায় ভেঙে পড়লেন। তিনি বললেন, "বাবা, এই পৃথিবীর নতুন বছর আমার আর চাই না, আমি যে আনন্দ ওই কয়েক মিনিটে পেয়েছি, তা যেন চিরকাল আমার সাথে থাকে।"
বাবার চূড় #babanamkevalam #song #dms #love #kirtan
বাবা নাম কেবলম্ 🚩
সংগৃহীতঃ
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео mp4
-
Информация по загрузке: