বেইজিংয়ের দৈনন্দিন জীবন(কাঁচাবাজার,জিনিসের দাম ও মান) Beijing city tour-2
Автор: Family tour vlogs
Загружено: 2025-06-12
Просмотров: 270
চীনাদের দৈনন্দিন জীবন
শারীরিকভাবে চীনারা অনেক ফিট। কোনরকম শারীরিক অসুস্থতা ছাড়া অনেক বয়স্ক ব্যক্তি নির্দ্বিধায় মনের ফুর্তিতে তাদের দৈনন্দিন জীবন পরিচালনা করে। জীবনকে সার্বক্ষণিক আনন্দ-ফুর্তি, মজা-মাস্তির ভিতর দিয়ে পরিচালনা করতে এরা সর্বদায় ব্যাতিব্যস্ত থাকে। যখন দেখা যায়, একজন সত্তরোর্ধ্ব পুরুষ বা মহিলা যেই হোক না কেন শারীরিক কোনো অসুস্থতা ছাড়াই নির্দ্বিধায় দিনাতিপাত করছে, তখন এদের শারীরিক ফিটনেস নিয়ে মনে বিস্ময় জাগাটাই স্বাভাবিক।
পূব আকাশে সূর্যের দেখা মেলার আগেই খুব ভোরে এদের প্রতিদিনকার রুটিন মাফিক দিন শুরু হয়। বেশিরভাগ অফিসের কর্মঘণ্টা শুরু হয় সকাল আটটা থেকে, তাই ইচ্ছা থাকলেও চাকরিজীবীরা কেউ বেলা অব্দি ঘুমাতে পারে না। বাচ্চাদের কিন্ডারগার্টেন, প্রাইমারি স্কুলের গাড়ি চলে আসে সকাল সাতটায়। হাইস্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়েও ক্লাস শুরু হয় সকাল আটটা থেকে। সেজন্য ভোরে উঠেই যে যার কাজে বেরিয়ে পড়ে। বয়স্ক ব্যক্তিদেরও কিছু রুটিন মাফিক কাজ করতে দেখা যায় এবং বয়স্করা সকলেই চেষ্টা করে ভোরে ঘুম থেকে উঠে প্রাতঃভ্রমণে বের হওয়ার।
বেশিরভাগ চাকরিজীবী এবং ছাত্রছাত্রীরা সকালে অফিস বা ক্লাসের যেতে পথেই নাস্তা সেরে ফেলে। আবার কেউ কেউ বাসায় খেয়েও রওনা দেয়। সকালের নাস্তায় খাবারের ভিতর চীনাদের ডামপ্লিং বা মম (ময়দার খামির ভিতর রান্না করা সবজি, মাংসের পুর ভরে বাষ্পে ভাপানো এক ধরনের খাবার), স্টিম বান (শুধুমাত্র ময়দা দিয়ে বানানো বাষ্পে ভাপানো রুটি), নুডুলস, সয়াবিন বেশ উল্লেখযোগ্য। সাথে পানীয় হিসেবে সুপ বা বিভিন্ন ধরনের জুস বা দুধ খেতে দেখা যায়।
সময়ের ব্যাপারে চীনারা খুবই সচেতন, তাই এদের কাছে অফিসের সেবাদান পদ্ধতিটা একটু ব্যতিক্রম। যদি সকাল আটটা থেকে অফিস শুরু হয়, তাহলে ঠিক আটটায় সেবাগ্রহীতার সেবা পাওয়ার নিশ্চয়তা এরা দিয়ে থাকে। অর্থাৎ তাদের কাছে কর্মঘণ্টা শুরুর অর্থ হচ্ছে সব কর্মকর্তা নির্ধারিত সময়ের আগেই নিজস্ব ডেস্কে প্রস্তুত থাকবে। অফিসের পোশাকের ক্ষেত্রে তেমন কড়াকড়ি কোনো নিয়ম-নীতি নেই। তবে ব্যাংক, রেস্টুরেন্ট, সুপারশপের ক্ষেত্রে তাদের কর্মীদের জন্য প্রতিষ্ঠান থেকে সরবরাহকৃত একই রকমের বিশেষ পোশাক পরতে দেখা যায়। বাকি ক্ষেত্রে যে যার ইচ্ছা মতো পোশাক-পরিচ্ছেদ পরতে পারে। পোশাক-পরিচ্ছদ নিয়ে তেমন কোনো মাথা ব্যাথা না থাকায় সবাই খুবই সিম্পল পোশাক পরতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। গায়ের রঙ সবারই সাদা হওয়ায় যেকোন পোশাকে তাদের ভালো দেখায় বলেই তারা মনে করে। তবে সবাই পোশাকে শালীনতা বজায় রেখে চলে। মহিলা এবং পুরুষ প্রায় একই ধাঁচের পোশাক পরিধান করে। যেমন, উভয়ের ফরমাল ড্রেসের পাশাপাশি টিশার্ট, জিন্স, ট্রাউজার, হাফপ্যান্ট, কেডস পরতে দেখা যায়। যেকোন পোশাকে এদের যেকাউকেই দেখলে মনে হয় এরা পোশাক-পরিচ্ছদেও বেশ সৌখিন। সার্বক্ষণিক সবার চেহারার ভিতরে একটা সতেজতা কাজ করে।
একটি খাঁটি চীনা খাবার তিনটি স্বতন্ত্র গুণাবলীর উদাহরণ দেয়:
1. বৈচিত্র্য এবং নমনীয়তা
2. প্রশান্তিদায়ক সুবাস
3. পরিমার্জিত পিকুয়েন্সি
এই গুণাবলী চীনা রন্ধনপ্রণালীকে কেবল রন্ধনসম্পর্কীয় উৎস হিসেবেই নয়, ঐতিহ্য হিসেবেও অনন্য করে তোলে। এটি বৈচিত্র্যময় এবং নমনীয় কারণ অনেক চীনা সুস্বাদু খাবারে বিভিন্ন ধরণের খাদ্য উপাদান ব্যবহার করা হয় যা ঐতিহ্যগতভাবে "সুস্বাদু" হিসেবে বিবেচিত হয় না। যাইহোক, অনেক বিদেশী খাবারের অদ্ভুত চেহারা সত্ত্বেও, তারা এখনও একটি পরিশীলিত সুবাস ধরে রাখে যা আপনার মুখে জল এনে দেবে। এছাড়াও, এই খাবারগুলি কেবল ইচ্ছামত তৈরি করা হয় না। এটি চীনা সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যে একটি অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। ফলস্বরূপ, তারা খাবারের তীব্রতা যতটা সম্ভব নিখুঁতভাবে তৈরি করার চেষ্টা করে।
এটা বোঝা খুবই জরুরি যে, চীনা খাবারগুলো হাজার হাজার বছর ধরে পরিশীলিত এবং পরিশীলিত। মানুষ এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মের কাছে রেসিপি হস্তান্তর করে, কেবল আরও উন্নত করার জন্য। এই কারণেই চীনা খাবারে একটি পরিশীলিত উপাদান রয়েছে। একটি খাবার তৈরি করতে বিভিন্ন রন্ধন কৌশল এবং খাদ্যতালিকাগত জ্ঞানের প্রয়োজন হয়।
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео mp4
-
Информация по загрузке: