🫵😱winter season picnic||DUCK MEAT curry cooking and eating with hot rice by santali tribe childrens😱
Автор: RIDER TOTAN
Загружено: 2026-01-15
Просмотров: 67
বাবরি মসজিদ চতুর্থ জুম্মা নামাজ আদায় হলো babri masjid video Beldanga #gojol #গজল #love #ghazale #wazmahfil
বাবরি মসজিদ (বাবরী মসজিদ) ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ ছিল, যা ১৫২৮-২৯ সালে মুঘল সম্রাট বাবরের আদেশে তার সেনাপতি মীর বাকী দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। এটি ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর ধ্বংস করা হয়। এর সাথে যুক্ত বিতর্কিত বিষয়গুলো সুপরিচিত, কিন্তু কিছু কম পরিচিত বা অজানা তথ্য নিম্নে উল্লেখ করা হলো (ঐতিহাসিক সূত্র, প্রত্নতাত্ত্বিক রিপোর্ট এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে):
১. নামের উৎপত্তি এবং প্রথম নাম:
১৮৫৩ সালের আগে এটি "বাবরি মসজিদ" নামে পরিচিত ছিল না। তখন এটি "জামি মসজিদ" বা "সীতা রসোয়ী মসজিদ" নামে ডাকা হতো। "বাবরি" নামটি প্রথম সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের পর (১৮৫৩-৫৫) জনপ্রিয় হয়।২. আসল "বাবরি মসজিদ" অন্যত্র:
পানিপথের যুদ্ধে জয়ের পর বাবরের নির্মিত প্রথম মসজিদটি হরিয়ানার পানিপথে অবস্থিত কাবুলি বাগ মসজিদ, যাকে কিছু সূত্রে "আসল বাবরি মসজিদ" বলা হয়। অযোধ্যার মসজিদটি মীর বাকী নির্মাণ করেন এবং বাবরের নামে নামকরণ করা হয়।
৩. মসজিদের স্থাপত্যের বিশেষত্ব:
এর অ্যাকোস্টিক্স অসাধারণ ছিল—মিহরাব থেকে ফিসফিস করে বলা কথা ২০০ ফুট দূরে স্পষ্ট শোনা যেত। এটি জৌনপুর সুলতানাতের স্থাপত্য শৈলী অনুসরণ করেছিল এবং আতালা মসজিদের মতো দেখতে ছিল। কিছু সূত্রে বলা হয়, এতে ঐতিহ্যবাহী মসজিদের কিছু উপাদান (যেমন ওজু করার জায়গা) অনুপস্থিত ছিল।
৪. প্রথম বিতর্কের সময়:
রেকর্ডকৃত প্রথম সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ এখানে ১৮৫৩-৫৫ সালে হয়, যা ব্রিটিশ কলোনিয়াল নীতির ফল বলে কিছু ঐতিহাসিক মনে করেন। তার আগে হিন্দু-মুসলিম উভয়েই সাইটটিকে সম্মান করতেন।
৫. প্রত্নতাত্ত্বিক খননের কম পরিচিত দিক:২০০৩ সালের ASI খনন রিপোর্টে মসজিদের নিচে একটি বড় প্রাচীন স্ট্রাকচারের (১০-১২শ শতাব্দীর) প্রমাণ পাওয়া যায়, যার স্থাপত্য উত্তর ভারতীয় মন্দিরের মতো (পিলার বেস, অলঙ্কৃত পাথর ইত্যাদি)। তবে রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়নি যে মন্দির ভেঙে মসজিদ বানানো হয়েছে। কিছু প্রত্নতাত্ত্বিক (যেমন সুপ্রিয়া ভার্মা) বলেন, এটি বৌদ্ধ বা জৈন স্ট্রাকচারও হতে পারে এবং রিপোর্টে পক্ষপাতিত্ব ছিল। সুপ্রিম কোর্ট ২০১৯-এ বলেছে, মসজিদ খালি জমিতে বানানো হয়নি, কিন্তু ধ্বংসের প্রমাণ নেই।
৬. অন্যান্য তথ্য:
খননে বৌদ্ধ, জৈন এবং শৈব উপাদানও পাওয়া গেছে।
বাবরের আত্মজীবনী "বাবরনামা"য় অযোধ্যায় মসজিদ নির্মাণের কোনো উল্লেখ নেই।
১৯৪৯ সালে মসজিদে রামের মূর্তি রাখার ঘটনা বিতর্কের বড় টার্নিং পয়েন্ট।
বর্তমানে সাইটে রাম মন্দির নির্মিত হয়েছে (২০২৪-এ উদ্বোধন), এবং মুসলিম পক্ষকে ধন্নীপুরে নতুন মসজিদের জন্য জমি দেওয়া হয়েছে।
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео mp4
-
Информация по загрузке: